এটি একটি সাহিত্য বিষয়ক পত্রিকা।অনেকগুলো লেখা ছাপানো হয়েছে।সবাই বিখ্যাত নয়- কেউ কেউ বিখ্যাত।আপনারাও লেখা পাঠাতে পারেন।হতে পারে সেটি একটি কবিতা।মুক্তমনা প্রবন্ধ পাঠালে ছাপানো যেতে পারে।মুক্তবুদ্ধির চর্চা হোক-জ্ঞান হোক মুক্ত বিহঙ্গ।প্রতিটি মানুষ হয়ে উঠুক সাহিত্য সচেতন।
যুক্তি - মুশফিক বরাত
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
সব কথা, আসল কথা, যুক্তি সকল সব ধর্ম বুঝি, কর্ম বুঝি যেমন ন্যাপ; কর্মসূচি, সকল মানুষ সমান তাই সকলে বলি একসাথে বাপরে বাপ।
স্পট জানা নেই তবুও সালাম শহীদ হলেন ভাষার ময়দানে বরকত প্রাণ দিল রফিকের আত্মাহুতি মেনে নেব না জব্বার শহীদ বাংলা ভাষার জন্য। স্পট জানা নেই ঊনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত হলেন আসাদ সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নামে সাতটি তারকার নাম দেব উজাড় করব বস্তি, শত্রুসেনার ঘাঁটি ছেড়ে দেব না হানাদার বাহিনী ঢুকে পড়ার আগেই শেষ গ্রেনেড ছুঁড়ব। স্পট জানা নেই কমরেড সিরাজ সিকদারের জীবন বাজি যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত ঘোষণা মানি মানি মানি। তিনি গ্রামাঞ্চল দিয়ে শহর ঘেরাও করতে চেয়েছিলেন যেমন আমার কৈশোরের স্বপ্ন। স্পট জানা নেই স্বৈরাচার নিপাত যাক নূর হোসেন লিখেছিলেন বুকে-পিঠে। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি তিনিও জানতেন। আমি জেনেছি প্রতি ফেব্রুয়ারিতে। স্পট জানা নেই আবু সাঈদ দুহাত প্রসারিত করে প্রতিবাদী ভঙ্গিমায় পুলিশের দিকে দাঁড়িয়ে বুলেটবিদ্ধ হলেন ক্ষতবিক্ষত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার আগেই বিজয় ঘটল তিনি আজ বিজয়ী।
দিনাজপুর থেকে সোজা নিউইয়র্ক ভ্রমণে যেতে চাই তারপর পাড়ি দেব মাল্টিভার্স ও ইউনিভার্স নিদ্রিতা ও বরাতের ভালোবাসার এক সমুদ্র মূল্য দেব আকাশ হতে মাটিতে ঝরে পড়তে বৃষ্টির যতটুকু ব্যাপ্তি ততটুকু আমাদের পথচলা। তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদের দুর্ঘটনা এখনো ভাবায় এখনো কাঁদায়। মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ও ভারতীয় উপমহাদেশের সংমিলনে গড়ে উঠতে পারে বৃহত্তর মানববসতি। তুমি আর আমি সময়ভ্রমণে ঘুরে আসতে পারি এক ইউনিভার্স থেকে আরেক ইউনিভার্সে তাতে একরত্তিও সময় লাগবে না। ইংল্যান্ডের রাণী ঘুম থেকে জেগে উঠবে আমি তোমাকে ভালোবাসি- পংক্তিটুকু পৃথিবীর সব ভাষায় ব'লে দিতে চাই। কার্ল মার্কস ও কমরেড লেনিনসমগ্র আবৃত্তি করব প্রতিদিন মিছিলে। 'পুঁজি' গ্রন্থটি ছাপিয়ে ফেলব পুনরায় সব ভাষায়। পাতিনেতাদের সমস্ত নির্দেশ এক নিমেষেই রপ্ত ক'রে নিতাম। মনে হয় যেন ভারতের মন্ত্রীসভার বারোটি মন্ত্রণালয় মুহূর্তেই গিলে খেতে পারি। নিদ্রিতা আমি জেনেছিলাম তার চেয়ে ঢের বেশি শুধু তোমাকে জানাতে চেয়েছিলাম ব্যাস এটুকুই!
অনন্ত বর্ষা ও অনন্ত বর্ষ প্রতি মুহূর্তের পরে তোমার আধুনিক কলিংবেলে বাজতেই থাকে আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ডাকতেই থাকে। বন্ধু তোমার ও আমার প্রতীক্ষায় খোলা শাওয়ারের নিচে অনন্তকাল দাঁড়িয়ে আছে যে নারী তাকে তুমি চুম্বন করোনি এখনো। শরতের আকাশ দীর্ঘকাল মেঘমুক্ত ছিল তাকিয়ে দেখবার একটুও ফুরসৎ হলোনা তোমার। প্রতি গ্রীষ্মের রোদে পাবলো নেরুদা ও আমি একটি কবিতা নিয়ে বায়না ধরেছিলাম তোমার কাজল চোখ নজর দেয়নি আমাদের চশমায় এক বছর কেটে গিয়েছিল এমনি! একটি নিরুদ্দেশ পত্র লিখেছিল নিদ্রিতা না জবাবের অপেক্ষায় নয়- জবাব লেখা ছিল পূর্বের বসন্তে আমাদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে অনন্ত বর্ষায় গা ভাসাতে অনন্ত বর্ষ জড়িয়ে ধরতে।
Comments
Post a Comment