Posts

সার্ন - কমরেড মুশফিক বরাত

হাতে রইল শুধু  এক কাপ চা সার্ন আবারো অর্থ সংকটে সেভাবেই পৃথিবীর বাঁচা।

পরিশ্রমের পান - মুশফিক বরাত

দেখতে পাই বাংলাদেশে দ্রুত খেয়ে চলে যান এভাবেই সুপারি কাটছি আর পরিশ্রমের পান।

কবিতা এনে দিতে পারে মুক্তি - মুশফিক বরাত

একটি কবিতা এনে দিতে পারে মুক্তি  একটি অস্ত্র এনে‌ দিতে পারে মুক্তাঞ্চল গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরাওয়ের লাল স্বপ্ন। কেউ বলে, সুখী মানুষের জন্য কবিতা আর অসুখীর জন্য উপযুক্ত নয় উপন্যাস। চোখের রক্তক্ষরণ আর বেশি দূরে নয়  হৃদয়ের রক্তক্ষরণ শুধু নিদ্রিতার জন্য আমার বড় হবার সংগ্রামগুলো মধুর হতে পারতো কেন জানিনা সহসা, আরো জলদি। আমি জানি অতি মানবীয় কিছু নই যেমন অতি পুরুষ বা রমণী গোছের কিছু কারো স্বপ্ন দেবতা শিবের মতো মাত্রাতিরিক্ত  জানি সে বরাবরই সুখী। একটি বৃষ্টির ফোঁটা এনে দিতে পারে স্বস্তি  কিংবা কিশোরের কান্নার জবাব নয়তো গিজার পিরামিড ছোঁয়ার অনুভূতি তার জন্য একটি ছোট্ট ঘৃণা নির্ধারণ করবে না কিছুই। চারিদিকে অট্টহাসির রোল ও  আরো কিছুটা এগিয়ে যাওয়া। একটি লাল পতাকা সমাজতন্ত্রের পথ পরিষ্কার করে দিতে পারে; একটি কুকুরের ডাস্টবিন হতে পারতো পুষ্পমাল্যর দোকান। তুমি হতে পারতে আমার লজ্জাবতী বধূ, স্বাগত জানাই রোজ একটি গোলাপে। একটি বিন্দু থেকে ছড়িয়ে পড়তে পারে মহাবিশ্ব  ক্রমাগত প্রসারিত হতে পারে অসংখ্য তারকা, গ্যালাক্সি, নেবুলা ও গ্রহ-উপগ্রহের সমাগম ব্ল্যাকহোলে নিদ্রিতা ও ...

প্রহর যন্ত্রণা - মুশফিক বরাত

অষ্টপ্রহরে একদিন টাইমস স্কয়ারে আমি অথচ নিদ্রিতার ঘোর কাটেনি এক প্রহরের যন্ত্রণা আমি ভুলে যাইনি। বুর্জোয়া নেতারা আসছেন একের পর এক ভুলভাল ছাড়ছেন হাইকোর্টের রায় ভুলব না। দিনগুলো সব সোনার খাঁচায়  বন্দী কেবলি অর্থের বেড়াজালে ফুলগুলো সব লাল কেন? আর আমার দ্বন্দ্বের বিবর্ণ বিবরণ। কারো অবাক হবার পালা কারো সজাগ হবার জ্বালা। হলো দেখা প্রতিদিন। কাগজের নৌকোর যন্ত্রণা কাটেনি জাহাজডুবির দুঃস্বপ্নে বিভোর এখনো আমি জানি একমাত্র নিদ্রিতা আসলেই যা মিটবে                                          যা ঘটবে                              তাই ভালোলাগাটুকু।

সময় - মুশফিক বরাত

সময় সময়কে নিয়ে যায় যখন ঘাবড়ে আকাশ জুড়ে বৃষ্টি নামে মনে পড়ে তারে। দরিয়ার ডাক এসেছে  খাদ্যের ডাক এসেছে  নদী ভেসে গেছে কেন? ঋতুরা পরিবর্তনের দিকে পল্লব শাখে শাখে ভাত নেই কারো পাতে কেন? দেশ গেল, বিপ্লব হলো সময় দা বলো আকাশটা যে কালো কেন? সকলেই নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে নিশ্চিন্ত  সময় দা শুধু একাই চিন্তিত  উপকার কর পরহিত কেন? টাকা নিয়ে ভেবো না আমরা তা জানি না আর বুঝি হলো না(হেসে) কেন? কবিতা আছে, গান আছে ভয় পেয়ো না পাছে উঠে পোড়োনা গাছে কেন? কারণ সময় দা আছে ভীষণভাবে কাছে! তাকে নিয়ে ভাবছি কেন বেশি তিনি এখন আরো কাছাকাছি।

ভগবানের দৃষ্টিতে ক্ষত - মুশফিক বরাত

একটি জুলাই বিপ্লব  একটি আগস্ট গণঅভ্যুত্থান  সহস্রাধিক লাশ লাশ কাটা ঘরে ক্ষত-বিক্ষত পড়ে আছে শুকায় না, জোড়া লাগে না। ধর্ষিতা বোন‌ আর্তচিৎকারে অবনত সমাজ মানে না, ভোলে না। গাঁজাখোর মদ্যপ হয় না মদ্যপ যুবকের সিগারেটে আসক্তি নেই                                       জানি না। আকাশ মেঘে ঢাকা মুহুর্মুহু গর্জন বিদ্যুতের  তবু বৃষ্টি নামে তবু বন্যায় ভাসমান কিশোরী। দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্বদেশ বারবার লাল পতাকা স্বগৌরবে উড়ে না। বিড়াল-কুকুরের ডাস্টবিনে আশ্রয় বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত সব খাদ্যে মানুষ জাগে না। যেমন বাইবেল কুরআন মানে না যেমন অশ্লীলতা সুশীল হয় না গরীব ধনী হয় না।

একজন হাফিজারের আর্তনাদ - মুশফিক বরাত

জিরো টলারেন্স জানিয়েছে পৃথিবী মা-বাবা-ভাই-বোন সটকে গেছে পিছুটান দিয়েছে প্রিয় বন্ধুটিও। সহসা ভগবানের আর্তনাদ  পাই ধ্রুবকে আটকে গেছেন তিনি তারপরও বন্ধু হতে চেয়েছিলেন                           একজন হাফিজারের। আমার মায়ের শেষ যন্ত্রণা অসংখ্য হাফিজারের জন্ম দিতে চলেছি আমি। অথচ নিদ্রিতা ও আমি সুখেই ছিলাম‌। কিছু ভাবনার পরে শেষটায় চূর্ণ-বিচূর্ণ জিরো থেকে জিরো। এমতাবস্থায় হতে চেয়েছিলেম শিবের পূজারী  তুমি মেনে নেবে কিনা জানা নেই নিদ্রিতা। হাফিজারের বুক ফাটা চিৎকার আমি ফিনিশড, আমি ভেতরে ভেতরে চরম  ভাববাদ পুষছি কেন? দিনরাত জপে চলেছি কার যেন নাম? জানতে চাই- কমরেডের কাছে- কেন আমি কমিউনিস্ট হতে পারবো না!